তবে আমদানি বাড়লেও স্থানীয় বাজারে মসলাপণ্যটির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান, সরবরাহ বাড়লেও পাইকারি পর্যায়ে জিরার দাম কমেনি। ফলে খুচরা বাজারে এর কোনো প্রভাব পড়েনি।
ভোমরা কাস্টম হাউজের রাজস্ব শাখা থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) এ বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি হয়েছে ৩ হাজার ৪২৮ দশমিক ২৮ টন। যার মূল্য ছিল ১৪৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময় ৩ হাজার ১১৯ টন জিরা আমদানি করা হয়। যার মূল্য ছিল ১৩৩ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। সে হিসাবে গত অর্থবছর ভোমরা বন্দর দিয়ে জিরা আমদানি বেড়েছে ৩০৯ দশমিক ২৮ টন।
গতকাল সাতক্ষীরার সুলতানপুর বড় বাজারের আমদানি করা ভারতীয় জিরা ৬০০-৬৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তুরস্ক ও আফগানিস্তানের জিরা ৭৪০-৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়, যা এক মাস আগেও একই ছিল। ভোমরা বন্দরের মসলাজাত পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, ১২ মাসই জিরাসহ বিভিন্ন ধরনের মসলাজাত পণ্য আমদানি করে তার প্রতিষ্ঠান। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হয়। তবে বিদায়ী অর্থবছরে তার প্রতিষ্ঠানে জিরা আমদানি কিছুটা বেড়েছে।
সাতক্ষীরা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা এসএম আব্দুল্লাহ বণিক বার্তাকে জানান, বাজারে সরবরাহ বাড়ার পরও জিরার দাম কেন কমছে না সেটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।